অনলাইনে কাজেঃ
অনেকে প্রায়ই বলেন অমুক লোক অই কাজ করে, আবার আরেকজন অন্য কাজ করে, তাহলে এই বিভিন্ন কাজ গুলো কি? এবং কোথা থেকে আসে।অনলাইনের আয়ের সাথে আমাদের বাস্তব জীবনের আয়ের তুলনা করলে সহজেই অনলাইনে আয়ের ব্যাপারটা বোঝা সম্ভব। বাস্তব জীবনে অর্থ উপার্জনকে আমরা সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। যেমন-
১. চাকুরি
২. ব্যাবসা
ঠিক বাস্তব জীবনের মতো অনলাইনেও আপনি দুই ধরনের পদ্ধতিতেই টাকা উপার্জন করতে পারবেন। ব্যাবসা এবং চাকুরি দুই ধরনের সুযোগ রয়েছে। আর এই চাকরি এবং ব্যাবসা কাজগুলো কি? এই দুটির মধ্যে পার্থক্য কি? এ বিষয়ে নতুনদের মাঝে পুরাপুরি ধারনা থাকতে হবে। কারন, আপনাকে কাজ করার পূর্বে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনি কি করতে যাচ্ছেন, কেন করতে যাচ্ছেন। না জেনে যে কোন সিদ্ধান্ত আপনার ব্যর্থতার কারণ হতে পারে। এখন চলুন এই দুই প্রকার অনলাইন কাজ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাক।
অনলাইনে ব্যাবসা করে আয়ের কয়েকটি ধাপঃ
বাস্তব জীবনের ব্যাবসার মতো অনলাইনেও ব্যাবসা করে টাকা ইনকাম করা যায়। অনলাইনে ব্যাবসা এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করা। দেশে এবং বিদেশে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার বিভিন্ন পন্য বিক্রি করছে। অনলাইনে পন্য বিক্রির এই ব্যাবসাকে বলা হয় ই-কমার্স বিজনেস। তাছাড়া অনলাইনে আরও অনেক ব্যাবসার রয়েছে। তাদের মধ্যে- ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি অন্যতম।
নিজের ওয়েবসাইট থেকে ব্লগিং করে আয়ঃ
প্রথমে আপনি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরী করে যেখানে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করা করতে হবে। এই সাইটে আপনাকে আগে ভাল মানের তথ্য সমৃদ্ধ একটি ব্লগ তৈরি করতে হবে, যেখানে মানুষের দরকারি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করবেন। এতে করে মানষের প্রয়োজনে এই তথ্য গুলো দেখার জন্য অনেকেই আপনার ওয়েব সাইটে ভিজিট করবে। মানুষ যদি চাহিদা অনুযায়ী তথ্য পায় তাহলে একজন দুইজন করে সময়ের ব্যবধানে প্রতিদিন বহু লোক ভিজিট করবে এবং এই ব্লগ ধীরে ধীরে ব্লগ জনপ্রিয় উঠবে। তখন আপনি সেই ব্লগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন বসিয়ে আপনি আপনার ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন।
ব্যাপারটা অনেকটা টিভি চ্যানেলের মত। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের অনুষ্টান দেখার সময় আমরা বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখতে পাই। যে টিভি চ্যানেলের দর্শক বা জনপ্রিয়তা যত বেশি তার বিজ্ঞাপন রেট তত বেশি এবং আয়ও তত বেশি। ঠিক একই ভাবে আপনার সাইটের ভিজিটর বা পাঠক যত বেশি হবে আপনার সাইটের বিজ্ঞাপন রেটও তত বেশি হবে এবং আপনার আয়ও তত বেশি হবে। এছাড়াও এখন প্রায় সকল জাতীয় পত্রিকা গুলোর অনলাইন ভার্শন রয়েছে এবং তাদের ওয়েবসাইটে লক্ষ করলে দেখা যায় যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন। এই বিজ্ঞাপন সাইটে প্রদর্শন করে তারা আয় করে।
অনলাইনে কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যাবসা করা যায়ঃ
এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে কোন পন্যের প্রচার করবেন আর যখন পন্য বিক্রি হবে, তখন আপনি এর থেকে কমিশন পাবেন। তবে, আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য অনলাইনে প্রচার চালিয়ে বিক্রি করে দিতে হবে। প্রতি বিক্রিতে ওই কোম্পানি আপনাকে কিছু কমিশন দেবে। এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পন্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; আপনি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারেন। আপনি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পন্য বিক্রয় করতে পারেন।
ধরুন অসুস্থার কারনে একজন হাসপাতালে গেলেন। ডাক্তার তাকে দেখে প্রেসক্রিপশন লিখে দিলেন। এখানে ডাক্তার চুক্তিবদ্ধ কোম্পানির ঔষধের নাম লিখলেন কারন ডাক্তার এই কোম্পানি থেকে কমিশন পায়। এর মানে হচ্ছে ডাক্তার ওই কোম্পানির একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে কাজ করেছেন। ঠিক এটাই হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং।
১. চাকুরি
২. ব্যাবসা
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন