ফ্রীল্যান্সিং শিখুন ঘরে বসে আয় করুন

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কী
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কে ইংরেজীতে সংক্ষেপে SEO বলে। এর পূর্ণরুপ হল Search engine Optimization। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এমন একটা পদ্বতি যার মাধ্যমে আপনি সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে আপনার সাইটকে সকলের কাছে বিনামূল্য পৌছে দিতে পারেন।আসুন উদাহারন দিয়ে বিষয়টি আরো পরিস্কার হয়ে নিই।
আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা সবাই প্রায় সার্চ ইঞ্জিন এর সাথে পরিচিত। google, yahoo,ask ইত্যাদি।তার মধ্যে গুগল খুবই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।আমরা যখন কোন কিছু এ সম্পর্কে জানতে চাই তখন আমরা সার্চ ইঞ্জিনে তা সার্চ করে থাকি। যেমন আপনি যদি বাংলাদেশের সকল খবরের কাগজের ওয়েব সাইটের লিংক চান তাহলে হয়তো গুগলে গিয়ে সার্চ বক্সে লিখবেন “Bangladeshi newspaper links”। এর পর সার্চ দিলে দেখবেন কিছুক্ষণ পর অনেক গুলো ওয়েব সাইটের লিংক আপনার সামনে এসে হাজির।
এখন আপনি মনে মনে ভাবতে পারেন সাইট গুলোর লিংক কী ভাবে এখানে এলো। গুগল কি সাইটগুলোকে বাছাই করেছে না কি সাইটগুলোকে গুগলে সাবমিট করার জন্য কেউ আবেদন করেছে। উপরের দুটো ভাবনাই ঠিক। তবে আগে আবেদন তার পর বাছাই করা।আর সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন হল এই দুই এর সমন্বয়। অর্থাৎ সঠিক ভাবে সার্চ ইঞ্জিন সাইট সাবমিট থেকে শুরু করে এর বাছাইকরণ করার সবই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।
সার্চ ইঞ্জিন সাবমিট করা সকল সাইটকে গুগল একটা লিস্ট বা ফলাফল প্রকাশ করে।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রধান কাজ থাকে এই তালিকায় প্রথম পেজে থাকা।আর গুগল এই তালিকা প্রকাশ করে একটি সাইটের জনপ্রিয়তা, প্রয়োজনীয়তা,গুরুত্বপূর্ণতা সহ সকল কোয়ালিটি বিবেচনা করে।আর এসইও এর কাজ হল একটি সাইটের সার্চ ইঞ্জিনের জন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন করে তোলা।
কি কারণে এই সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করা হয়।
আপনাদের অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কেন আমরা এসইও করবো। এর সহজ উত্তর হয় ওয়েব সাইটের ভিজিটর বা ট্রাফিক বাড়ানো। একটি ভিজিটর ছাড়া ওয়েব সাইট এর কোন মূল্য নেই। আর ভিজিটর বাড়ানোর মূল্য রয়েছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের এর গুরুত্ব। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য গুলোর মধ্যে রয়েছে
১। এর মাধ্যমে আপনার সাইটকে সকলের কাছে সহজে পৌছে দেওয়া
২। আপনার ওয়েব সাইটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করা
৩। সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি করা।
৪। বিভিন্ন ধরনের অনলাইন আয় করার প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করে।
৫। তথ্য বিনিময় ও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার শক্ত ভিত হিসাবে কাজ করে।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের উপকারীতা
এসইও এর প্রয়োজনীয়তা বা উপকারীতা কথা বলে শেষ করা যাবে না। আপনার ওয়েব সাইটের ট্রাফিক বাড়াতে এর মত পদ্ধতির জুড়ি মেলা ভার। আজকের যুগ প্রতিযোগীতায় টিকে থাকার যুগ।কেউ আপনার সাইটকে মনে রাখার মত সময় নেই। তারা সহজে তাদের প্রয়োজনমাফিক তথ্য অতি দ্রুত পেতে চায়।যার জন্য তারা সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে।আর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন করা হলে আপনি আপনার সাইটকে সকলের সামনে তুলে ধরতে পারবেন।
আপনার সাইটের ব্যবসায়িক ভাবে প্রচার প্রচারণা করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন তো মাস্ট। অলাইন মার্কেটিং করা,নতুন পণ্য সকলের সামনে তুলে ধরা, নতুন নতুন সফটওয়্যার এর প্রচার প্রচারণা সহ সকল কাজ সহজ করে দিয়েছে এসইও।
তাই অনলাইনে আ্যড এর আয় বা অলাইন মার্কেটিং যাই বলুন না কেন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন গতি নেই। যেমন গুগল এ্যাডসেন্স এর কথাই বলি।গুগল এ্যাডসেন্স এ সফলতা পাওয়ার জন্য এসইও অনেক অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। অধিক ভিজিটর পাওয়া,ক্লিক পাওয়া,আয় করা সবই সম্ভব হবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে।তো এবার আপনিই বলুন অনলাইন আয় কিংবা ভিজিটে বাড়ানোর জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ছাড়া কোন উপায় আছে? কেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন গুগল এ্যাডসেন্স এর আয়ের প্রধান কৌশল তা আমার এই পোস্ট থেকে আরো ভালো ভাবে বুঝতে পারেন।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে কি কি লাগবে
আপনি যদি এসইও করা শিখতে চান তা হলে প্রথমে আপনাকে বেশ কিছু মৌলিক বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। নিচে এসকল মৌলিক বিষয় গুলো দেওয়া হল:
১। ওয়েব সাইট সম্পর্কে ধারণা
২। কী-ওয়ার্ড বাছাই করণ
৩। ব্যাক লিংক সম্পর্কে ধারণা
৪। পেজ রেংক সম্পর্কে ধারণা
৫। ওয়েব সাইট সাবমিট করা
৬। সার্চ ইন্জিন সম্পর্কে ভালো মানের ধারণা
৭। মেটা ট্যাগ এর ব্যবহার জানা।
৮। অন পেজ আপটিমাইজেশন ও অফপেজ অপটিমাইজেশন সম্পর্কে জানা ইত্যাদি।
এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুনhttp://amwebcreation.com/blog/

অনলাইনে আয় করার বিভিন্ন জনপ্রিয় উপায়

অনলাইনে আয় এখন কোন স্বপ্ন নয় বরং বাস্তবতা।আইটি ক্ষেত্রে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে । সেই সাথে বাড়ছে ফ্রি-ল্যান্সারদের সংখ্যা। অনেকেই নতুনভাবে আগ্রহী হচ্ছেন ফ্রি-ল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং এ । সঠিক তথ্যের অভাবে অনেকেই অনলাইনে আয় করতে পারেন না । যারা নতুনভাবে ফ্রি-ল্যান্সিং শুরু করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য এই পোষ্টটি। আইটি শিক্ষার অনলাইনে আয় বিষয়ক যে সকল আর্টিকেল আপনার কাজে লাগতে পারে রিভিউ লিখে আয় করুন ওয়েব ডিজাইনারের আয়ের বিভিন্ন উপায় অনলাইনে আয় বিষয়ক বিভিন্ন গুরত্বপুর্ণ তথ্য
১. একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করুন এবং অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক যেমন গুগল অ্যাডসেন্স বা ক্রয়বিক্রয়(buysell) অ্যাড এর মাধ্যমে আয় করতে পারেন। আপনি চাইল গুগল ডাবলক্লিক এর মাধ্যমেও সরাসরি আয় করতে পারেন। অনেকের কাছেই অ্যাডসেন্স অ্যপ্রুভ করা ঝামেলার বিষয়। কিভাবে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করবেন প্রয়োজনীয় নিদের্শাবলী দেখুন অ্যাডসেন্স নিদের্শনা
২.মেইলচিম্পের মাধ্যমে ইমেইল নিউসলেটার সেল করে আয় করতে পারেন। স্পন্সর বা সাবস্ক্রাইবার খুজে বের করতে হবে । যেখানে ভিজিটররা নিউসলেটার পাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করবে। HackerNewletter, NowIKnow এবং Launch.co এই ধরনের কাজের ভাল উদাহরণ হতে পারে।
৩. নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলুন এবং ইউটিউবের পার্টনার হয়ে যান। আপনি Oneload সাইটটি ব্যবহার করে আপনার ভিডিওটি অনেক সাইটে ছড়িয়ে দিতে পারেন।
৪. সৃজনশীল কিছু তৈরী করুন যেমন হ্যান্ডবেগ জুয়েলারি পেইন্টিং বা কুটিরশিল্প ইত্যাদি এবং তা বিক্রয় করতে পারেন ইটসি, আর্টফায়ার বা ই-বে তে বিক্রয় করতে পারেন।
৫.টি-শার্টের ডিজাইন করুন এবং www.threadless.com, জাজে বা ক্যাফেপ্রেস এ রাখুন। আর বিক্রয় করুন।
৬.নিজের অনলাইন স্টোর তৈরী করুন তা নিজস্ব ডোমেইন বা সপিফাই (shopify),স্কয়ার (লিংক: http://www.squarespace.com )স্পেস এ হতে পারে। যেকোন বস্তু খাবার থেকে শুরু করে ডিজিটাল পণ্য সবই সেল করতে পারেন।
৭.যে কোন বিষয়ের উপর বই লিখুন। তা কিন্ডেল স্টোর , গুগল, বা আইবুক এ প্রকাশ করুন। আপনি চাইলে ই বুক হিসাবে অন্য রিটেইলার দের কাছে ও বিক্রয় করতে পারেন। অন্য রিটেইলার বিক্রয়ের জন্য স্মাশউড ( Smashwoods )বা বুকবেবি (BookBaby) ব্যবহার করতে পারেন।
৮. ইউডেমি Udemy বা স্কিল শেয়ারের SkillShare শিক্ষক হিসাবে যোগদান করুন আপনার প্রিয় বিষয় নিয়ে টিউটোরিয়াল তৈরী করুন। গিটার থেকে শুরু করে সাহিত্য ইয়োগা থেকে বিদেশী ভাষা যেকোন কিছু আপনি আন্তর্জাতিকভাবে শেখাতে পারেন।
৯. কোডিং শিখুন । গুরু Guru , ই-ল্যান্স eLance , আপওয়ার্ক , বি-ল্যান্সার এর মত মার্কেট প্লেস এ সফট্‌ওয়ার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টে কাজ করুন।
১০. ভার্চুয়াল অফিস অ্যাসিস্টেন্ট হিসাবে প্রশাসনিক বা টেকনিক্যাল কাজে দুরবর্তী সহায়তা করতে পারেন। এক্ষেত্রে ই-ল্যান্স, টাস্কর‌্যাবিট TaskRabbit বা আপওয়ার্ক এ প্রচুর কাজ পাবেন।
১১.স্ক্রিপ্ট রাইটার হিসাবে যেমন কোন ব্রাউজার এর এক্সটেনশন প্লাগিন,মোবাইল অ্যাপস (অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন) তৈরী করে আয় করুন । এক্ষেত্রে কোডকেনিওন CodeCanyon , চুপা Chupa বা বিনপ্রেস BinPress এ আপনার কোডটি বিক্রয় করে আয় করতে পারেন।
১২. খুব সাধারণ কম্পিউটার জব যেমন ডাটা এন্ট্রি জব, ট্রান্সক্রাবিং কিংবা ভিজিটিং কার্ড তৈরী করে আয় করতে পারেন। এজন্য মেকানিক্যাল টার্ক Mechanical Turk ব্যবহার করতে পারেন।
১৩. সৃজনশীল কাজ যেমন লোগো ডিজাইন,ব্যানার ডিজাইন,ওয়েব ডিজাইন অন্যান্য মার্কেটিং এর উপাদানগুলো তৈরী করে অনলাইনে আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ৯৯ডিজাইন 99Designs , ক্রাউডস্প্রিং CrowdSpring , ডিজাইনক্রাউডের DesignCrowd মত সাইটগুলো থেকে আয় করা যায়।
১৪. আপনার কি ভাল কন্ঠ আছে। আপনার যদি ইংরেজীতে জড়তা না থেকে থাকে তবে উমানো, ভয়েসবানী VoiceBunny , ভয়েস১২৩ Voice123 ভয়েস আর্টিষ্ট হিসাবে কাজ করে আয় করতে পারেন।
১৫.অনেকেই আছেন যারা ভাল গান করেন। আপনি যদি ভাল গান করে থাকেন অ্যামাজন এমপিথ্রি, আইটিউন , প্যান্ডোরা,স্পটিফাই এর গান গুলো বিক্রয় করতে পারেন। এজন্য ডিস্ট্রোকিড DistroKid , টিউনকোর Tunecore, লাউডার এফএম loudr.fm বা সিডিবেবির CDBaby সাহায্য নিতে পারেন। আপনি চাইলে সরাসরি আপনার অডিও ফাইল গুলো অডিও জংগল AudioJungle, পন্ড৫ Pond5 বিক্রয় করতে পারেন।
১৬. অ্যামাজন Amazon বা অন্যান্য অনলাইন স্টোরের অ্যাফিলিয়েটর হিসাবে অনেক ভাল আয় করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ভিজিলিংক Vigilink, শেয়ারএসেল ShareASale, কমিশন জাংশন CJ বা লিংক শেয়ার LinkShare এর মত সাইটগুলো অনেকভাল কাজ করে।
১৭. অনলাইনে টিউশন এর মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। যেখানে অনলাইনে ক্লাস নেওয়া,ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করার কাজ পাওয়া যায়।টিউটর ডট কম Tutor.com, ইন্টাএডু InstaEdu, টিউটোরিয়াল ভিসা TutorVista এর মত সাইটে খুব সহজেই অনলাইন শিক্ষক হওয়ার আবেদন করে অনলাইনে টিউশন করতে পারেন।
১৮. বিদেশীদের জন্য বাসা ভাড়া দিয়েও আয় করা যায়। আপনার ঘরে যদি খালি জায়গা থাকে তাহলে আপনার কি কি জিনিসপত্র আছে আজই লিষ্ট তৈরী করে ফেলুন। এয়ারবিএনবি Airbnb কুসসার্ফিং Couchsurfing আপনাকে সাহায্য্ করবে।
১৯.আপনি কি ফটোগ্রাফি করেন,আপনার ফটোগ্রাফি যদি ভাল হয় তবে ক্রিয়েটিভ মার্কেট Creative Market ,ফটোদুন PhotoDune, আইস্টকফটো iStockPhoto , ইমেজ এম্বেডেড ImgEmbed এ আপনার তোলা ছবি গুলো বিক্রয় করতে পারেন।
২০. পুরোনো অব্যবহৃত জিনিসপত্র,শিশুদের খেলনা, দুর্লভ বই বা অতি প্রাচীন বা শখের বস্তুগুলো খুব সহজে বিক্রয় করতে পারেন ইবে, ক্রেগলিষ্ট,বিক্রয় ডট কম, কিংবা সেলবাজার এর মত সাইটে বিক্রয় করতে পারেন।
২১. আপনি একজন ওয়েবসাইট ব্যবহার কারী হিসাবেও আয় করতে পারেন। যে কোন ওয়েবসাইট টেষ্ট করুন, সুন্দর রিভিউ লিখুন একজন ব্যবহারকারী হিসাবে সাইটের সুবিধা অসুবিধাগুলো লিখে আয় করুন। ইউজারটেস্টার UserTesting সাহটের সাহায্যে আয করুন।
২২.আপনি হয়ত বিভিন্ন সময় আপনার বন্ধু বান্ধবদের টেকনোলজির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাহায্য করেছেন। তাহলে অনলাইনে কেন নয় ? স্কাইপে স্ক্রিন শেয়ার, বা গুগল ক্রোমের দুরবর্তী স্ক্রিন শেয়ারের মাধ্যমে টেকনোলোজি সাপোর্ট দিয়ে খুব সহজে আয় করতে পারেন।
২৩.ফিভার Fiverr ও পিপলস পার আওয়ার PeoplePerHour এ অ্যাকাউন্ট করুন । এখানে সারা বিশ্বের অনেক বায়াররা বিভিন্ন ধরনের কাজ দিয়ে থাকে। এখানে অনুবাদের কাজ থেকে শুরু করে গ্রাফিক্স ডিজাইন এসইও এবং অন্যান্য কাজ পাওয়া যায়।
২৪.আপনি আপনার ওয়েবসাইট পুন বিক্রয় করেও আয় করতে পারেন। ফ্লিপপা Flippa , গো-ড্যাডি অকশন GoDaddy Auctions , সিডো Sedo ইত্যাদি সাইটে আপনি আপনার ওয়েবসাইট পুনরায় বিক্রয় করতে পারেন ।
২৫. সর্বশেষ আপনি অনলাইন ব্যতীত অফলাইনে যেসকল ব্যবসার কথা চিন্তা করতে পারেন সবই অনলাইনে প্রয়োগ করা সম্ভব।

অনলাইনে আয় করার হাজারো উপায় থেকে সঠিক উপায় বেছে নিন, ঘরে বসে আয় করুন ডলার ১০০% গ্যারান্টিসহকারে

অনলাইনে কাজেঃ
অনেকে প্রায়ই বলেন অমুক লোক অই কাজ করে, আবার আরেকজন অন্য কাজ করে, তাহলে এই বিভিন্ন কাজ গুলো কি? এবং কোথা থেকে আসে।অনলাইনের আয়ের সাথে আমাদের বাস্তব জীবনের আয়ের তুলনা করলে সহজেই অনলাইনে আয়ের ব্যাপারটা বোঝা সম্ভব। বাস্তব জীবনে অর্থ উপার্জনকে আমরা সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। যেমন-
১. চাকুরি
২. ব্যাবসা
ঠিক বাস্তব জীবনের মতো অনলাইনেও আপনি দুই ধরনের পদ্ধতিতেই টাকা উপার্জন করতে পারবেন। ব্যাবসা এবং চাকুরি দুই ধরনের সুযোগ রয়েছে। আর এই চাকরি এবং ব্যাবসা কাজগুলো কি? এই দুটির মধ্যে পার্থক্য কি? এ বিষয়ে নতুনদের মাঝে পুরাপুরি ধারনা থাকতে হবে। কারন, আপনাকে কাজ করার পূর্বে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনি কি করতে যাচ্ছেন, কেন করতে যাচ্ছেন। না জেনে যে কোন সিদ্ধান্ত আপনার ব্যর্থতার কারণ হতে পারে। এখন চলুন এই দুই প্রকার অনলাইন কাজ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাক।
অনলাইনে ব্যাবসা করে আয়ের কয়েকটি ধাপঃ
বাস্তব জীবনের ব্যাবসার মতো অনলাইনেও ব্যাবসা করে টাকা ইনকাম করা যায়। অনলাইনে ব্যাবসা এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে অনলাইনে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করা। দেশে এবং বিদেশে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা অনলাইনে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার বিভিন্ন পন্য বিক্রি করছে। অনলাইনে পন্য বিক্রির এই ব্যাবসাকে বলা হয় ই-কমার্স বিজনেস। তাছাড়া অনলাইনে আরও অনেক ব্যাবসার রয়েছে। তাদের মধ্যে- ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইত্যাদি অন্যতম।
নিজের ওয়েবসাইট থেকে ব্লগিং করে আয়ঃ
প্রথমে আপনি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরী করে যেখানে নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে লেখালেখি করা করতে হবে। এই সাইটে আপনাকে আগে ভাল মানের তথ্য সমৃদ্ধ একটি ব্লগ তৈরি করতে হবে, যেখানে মানুষের দরকারি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করবেন। এতে করে মানষের প্রয়োজনে এই তথ্য গুলো দেখার জন্য অনেকেই আপনার ওয়েব সাইটে ভিজিট করবে। মানুষ যদি চাহিদা অনুযায়ী তথ্য পায় তাহলে একজন দুইজন করে সময়ের ব্যবধানে প্রতিদিন বহু লোক ভিজিট করবে এবং এই ব্লগ ধীরে ধীরে ব্লগ জনপ্রিয় উঠবে। তখন আপনি সেই ব্লগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন বসিয়ে আপনি আপনার ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন।
ব্যাপারটা অনেকটা টিভি চ্যানেলের মত। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের অনুষ্টান দেখার সময় আমরা বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখতে পাই। যে টিভি চ্যানেলের দর্শক বা জনপ্রিয়তা যত বেশি তার বিজ্ঞাপন রেট তত বেশি এবং আয়ও তত বেশি। ঠিক একই ভাবে আপনার সাইটের ভিজিটর বা পাঠক যত বেশি হবে আপনার সাইটের বিজ্ঞাপন রেটও তত বেশি হবে এবং আপনার আয়ও তত বেশি হবে। এছাড়াও এখন প্রায় সকল জাতীয় পত্রিকা গুলোর অনলাইন ভার্শন রয়েছে এবং তাদের ওয়েবসাইটে লক্ষ করলে দেখা যায় যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন। এই বিজ্ঞাপন সাইটে প্রদর্শন করে তারা আয় করে।
অনলাইনে কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্যাবসা করা যায়ঃ
এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে কোন পন্যের প্রচার করবেন আর যখন পন্য বিক্রি হবে, তখন আপনি এর থেকে কমিশন পাবেন। তবে, আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য অনলাইনে প্রচার চালিয়ে বিক্রি করে দিতে হবে। প্রতি বিক্রিতে ওই কোম্পানি আপনাকে কিছু কমিশন দেবে।  এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পন্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী; আপনি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারেন। আপনি “ক্লিক ব্যাংক”-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পন্য বিক্রয় করতে পারেন।
ধরুন অসুস্থার কারনে একজন হাসপাতালে গেলেন। ডাক্তার তাকে দেখে প্রেসক্রিপশন লিখে দিলেন। এখানে ডাক্তার চুক্তিবদ্ধ কোম্পানির ঔষধের নাম লিখলেন কারন ডাক্তার এই কোম্পানি থেকে কমিশন পায়। এর মানে হচ্ছে ডাক্তার ওই কোম্পানির একজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে কাজ করেছেন। ঠিক এটাই হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং।

 ছবির তোলার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনঃ

যদি আপনি ভাল ফটোগ্রাফার বা চিত্রগ্রাহক হন, তাহলে আপনার তোলা আকর্ষনীয় ছবিগুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। অনেক ডিজাইনার আছে অনলাইনের তাদের প্রজেক্টের জন্যে ভাল মানের ছবি খুঁজে থাকেন, আপনি তাদের নিকট ছবিগুলো বিক্রি করতে পারেন। আবার ছবিগুলো আই-স্টক-ফটোস্‌ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রিও করতে পারেন।
আপনি যে কোন বিষয়ের উপর বই লিখে কিন্ডেল স্টোর, গুগল, বা আইবুক ইত্যাদিতে ইবুক হিসাবে প্রকাশ করুন। আপনি চাইলে অন্য রিটেইলারদের কাছে বিক্রয় করতে পারেন। আবার অনলাইনে টিউশন এর মাধ্যমে আয় করা সম্ভব।
   অনলাইনে চাকরি বা ফ্রীল্যান্সিং?
অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসেই যেকোন দেশের কোম্পানীর বিভিন্ন প্রকার কাজ করতে পারি। নতুনরা অনেকে অবাক হবেন তবে এটাই সত্য। অনলাইনের কাজটা আমার বাস্তব কাজের মতো হলেও, এখানে অনেক সযোগ-সুবিধা রয়েছে।যেমন বাস্তবে চাকরি করতে গেলে শিক্ষাগত যোগ্যতা দরকার হয়।কিছুকিছু ক্ষেত্রে আবার এমন কিছু লাগে যা লিখা সম্ভব না। কিন্তু অনলাইনে কাজ করতে এগুলো কিছুই লাগে না। এখানে দরকার শুধু কাজের দক্ষতা। অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে স্বাধীনতা। বাস্তব জীবনের মতো এখানে বাধা ধরা সময় লাগে না।এখানে আপনি সম্পূর্ণই স্বাধীন বা মুক্ত ভাবে কাজ করতে পারবেন। তাই এই চাকরিকে বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং বা মুক্তপেশা। এই পেশায় শুধুমাত্র দক্ষতা বা কাজ জানা থাকলেই অবশ্যই অবশ্যই কাজ পাবেন। অনলাইনে লক্ষ লক্ষ ফ্রীল্যান্সার কাজ করে।
কিভাবে এবং কোথায় এই চাকরি পাওয়া যায়ঃ
বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্টান জনবল নিয়োগের জন্য বিভিন্ন পত্রিকায় বা প্রচার মাধ্যমে চাকরির বিজ্ঞাপন দেয়। আমরা সেই বিজ্ঞাপন দেখে ওই কোম্পানীর সাথে নিয়ম অনুযায়ী চাকুরির জন্য যোগাযোগ করি।
অনলাইনের চাকুরির ব্যাপারটা উপরোক্ত বর্ননার চাকরির মতোই। তবে এখানে, চাকুরীদাতা এবং চাকরি প্রার্থীর মধ্যে একটি নিরাপদ যোগসূত্র তৈরি করার জন্য রয়েছে অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস বা মাধ্যম।এই সকল মাধ্যম গুলো মূলত হচ্ছে এক একটি ওয়েব সাইট। এই সাইটগুলোতে মূলত দুই প্রকারের অ্যাকাউন্ট করা যায়। একটি হচ্ছে ওয়ার্কার বা ফ্রিল্যান্সার অ্যাকাউন্ট এবং আরেকটি হচ্ছে বায়ার বা ক্লাইন্ট অ্যাকাউন্ট। বায়ার বা ক্লাইন্ট কাজ দেয় এবং ফ্রিল্যান্সার বা ওয়য়ার্কার কাজ করেন
কয়েকটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট/মার্কেটপ্লেস এর তালিকা দেওয়া হলঃ
  1. Upwork যার পূর্ব নাম Odesk+ Elance
  2. Freelancer.com
  3. Vworker.com
  4. Guru.com
  5. Scriptlance.com
  6. Getacoder.com
  7. 99designs.com
  8. Peopleperhour.com
  9. freelanceswitch.com
  10. Rent a coder.com
  11. Jumlalancer
  12. com/Adsense
এ ধরনের কিছু সাইট এর তালিকা দেওয়া হল:
  1. Themeforest.net
  2.  Graphicriver.net
  3.  Codecanyon.net
  4. Activeden.net
  5. 3docean.net
  6. Audiojungle.net
  7. Videohive.net
Upwork বা Odesk+ Elance সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য ক্লিক করুন এখানে    
ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট/মার্কেটপ্লেস এর বিস্তারিত জানার জন্য ক্লিক করুন এখানে
অনলাইনে উপার্জিত টাকা উত্তলনঃ
অনেকের ধারনা টাকা তুলতে মাস্টারকার্ড লাগে কিন্তু সেটা পুরোপুরি সঠিক না।
কোন রকমের ঝামেলা ছাড়াই অনলাইনে উপার্জিত এই ডলার  বাংলাদেশী যে কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে (অনলাইন সাপোর্ট) ট্রান্সফার করা যাবে এবং ডলার আটোমেটিক টাকায় পরিনিত হবে। অনলাইনে আয়ের সব টপ সাইট থেকে সরাসরি আপনার নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারবেন। আবার কিছু কিছু সাইট রয়েছে যেখান থেকে টাকা তুলতে মাস্টারকার্ডের দরকার হতে পারে। তবে মাষ্টারকার্ড পাওয়া অতি সহজ। ইচ্ছে করলেই সম্পূর্ণ ফ্রীতেই আপনি Payoneer মাস্টারকার্ড পেতে পারেন।
অনলাইনে আয় করার জন্য আপনাকে কোন প্রকার জামানত, ঘুষদেওয়া লাগবে না। এই কাজে শুধুমাত্র দক্ষতার প্রয়োজন। কাজ জানা থাকলে অবশ্যই কাজ পাবেন। যারা ফ্রীল্যান্সিং এর কথা বলে আপনার কাছ থেকে টাকা চায় তাদের থেকে দূরে থাকবেন।
তবে কাজ জানা না থাকলে এখানে সফলতা পাওয়া যাবে না। এই জন্য প্রথমেই আপনাকে ভালভাবে কাজগুলো শিখতে হবে। কাজ শেখার জন্য টেক-ওয়ান থেকে বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখুন

জিপি 16 টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট প্যাক সবাই পাবেন

জিপি ১৬ টাকায় ১ জিবি নাইট প্যাক সবাই পাবেন! গ্রামিণফোন নিয়ে এসেছে দারুন অফার।
মাত্র ১৬ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট।
(রাত ১২ টা থেকে সকাল ১০ টা পর্যন্ত) অফারটি সকল গ্রাহকই নিতে পারবেন।
আপনার বন্ধ, চালু, সচল সকল Grameenphone সিমে ১gb মাএ ১৬ টাকা।
এ অফার টি নিতে ডায়াল করুন *121*3*4*1# মেগাবাইট চেক *111*1*2# পেকেজ: 2gb (raat 12:00am- sokal 10:00am), মেয়াদ ৭ দিন।

ডিশ লাইন ছাড়াই দেখা যাবে সব টিভি চ্যানেল !

অবসান হতে যাচ্ছে পাড়া-মহাল্লায় ডিশ ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম। এখন থেকে দেশ-বিদেশের চ্যানেল দেখতে হলে ধরণা দিতে হবে না ডিশওয়ালাদের কাছে। অর্থাৎ নিজেই নিজের ইচ্ছে মতো ডিশ লাইন ছাড়াই সব টিভি চ্যানেল দেখতে পাবেন।
ভাবছেন এ আবার কেমন কথা! ডিশ লাইন ছাড়া কিভাবে সম্ভব? কেন সম্ভব নয়! খুব সহজেই এটা এখন থেকে করতে পারবেন আপনি। শুধুমাত্র খানিকটা অপেক্ষা। এরপর শেষ হবে ডিশ লাইনওয়ালাদের একচেটিয়া দৌরাত্ম্যের।
এর মাধ্যমে স্যাটেলাইট থেকে টেলিভিশনে সরাসরি সিগন্যাল আসবে। ফলে ক্যাবল সংযোগ ছাড়াই গ্রাহকেরা বিভিন্ন চ্যানেল দেখতে পারবে। এতে চ্যানেলগুলোর ছবি ও শব্দ আরো আকর্ষণীয় হবে।
দেশের দর্শকদের টিভি দেখার অভিজ্ঞতায় আমূল পরিবর্তন আনবে এই সেবা। শুরুতে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে এ সেবা চালু করলেও ধীরে ধীরে সারা দেশব্যাপী এ সেবা ছড়িয়ে দেওয়া হবে। প্রতি মাসে ৩০০ টাকা খরচ করে গ্রাহকরা ২৬টিরও বেশি বাংলা চ্যানেলসহ ১০০টিরও অধিক চ্যানেল দেখতে পারবে।
যেখানে প্রধান সব চ্যানেলই গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি পাঁচটি হাই ডেফিনেশনের (এইচডি) চ্যানেল দেখা যাবে একই প্যাকেজে।
এ সেবা পেতে একটি সেট টপবক্স ও ডিশ অ্যান্টেনার প্রয়োজন হবে।
ইনস্টলেশন ও মূল্য পরিশোধের পরই গ্রাহক ডিটিএইচ সেবা উপভোগ করতে পারবে। তবে সংযোগ পেতে মোট কত
ব্যয় হবে তা এখনো নিশ্চিত বলতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশে বর্তমানে ডিটিএইচ সেবার দেওয়ার ২টি অপারেটরকে লাইসেন্স দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।
ব্যক্তিগত ডিশ ব্যবহারকারীরা অল্প কয়েকটি ফ্রি চ্যানেল দেখাতে পারে। ভারতীয় অপারেটররা দর্শকদের কোনো স্থানীয় বাংলা টিভি ও সরকারকে কোনো কর না দিয়ে অবৈধভাবে উচ্চমুল্যে ডিটিএইচ ব্যবসা করছে। ডিটিএইচ প্রযুক্তির মাধ্যমে টিভি দর্শকরা এখন তার বাড়িতেই একটি ছোট ডিশ ও রিসিভারের মাধ্যমে সরাসরি সিগন্যাল গ্রহণ করতে পারবেন। এর ফলে ডিশ লাইনওয়ালাদের মতো আলাদা তারের মাধ্যমে প্রতিটি টিভি সেটে ক্যাবল সংযোগ দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।
সূত্র বলছে, ৩ বছর আগে ক্যাবল অপারেটরদের আপত্তি উপক্ষো করেও দেশের দুটি বড় কোম্পানিকে ডাইরেক্ট টু হোম (ডিটিএইচ) সেবার অনুমতি দিয়েছিল সরকার। সেই অনুযায়ী প্রথম ডিটিএইচ কোম্পানি চালুর ঘোষণা দিয়েছে বেক্সিমকো।
আর এই পরিসেবা খুব শিগগির চালু হতে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সেবা চালু হলে একজন গ্রাহক সরাসরি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তার পছন্দমতো সব চ্যানেল ঝকঝকে এইচডি কোয়ালিটিতে দেখতে পারবেন। নতুন এ কোম্পানিতে বেক্সিমকোর অংশীদার হয়েছে রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগ ও শিল্প প্রতিষ্ঠান জিএস গ্রুপ।
বেক্সিমকো কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের পিআর ম্যানেজার তাজরিয়ান খান বলেন, বালাদেশে প্রথমবারের মতো ডিটিএইচ চালুর পথ
মসৃণ করতে খুব শিগগির এই সেবা চালু করা হবে। তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশেই আমাদের নেটওয়ার্ক পাওয়া যাবে।
একনজরে ডিটিএইচ পদ্ধতি : ডিটিএইচ সেবার মাধ্যমে একটি স্যাটেলাইট সিস্টেম ব্যবহার করে সরাসরি গ্রাহকের বাসায় টিভি সিগন্যাল পৌঁছে দিয়ে মাল্টি-চ্যানেল টিভি প্রোগ্রাম দেখার সুযোগ করে দেওয়া হবে। ডিটিএইচ সংযোগ দিতে ব্রডকাস্টিং কোম্পানি গ্রাহককে একটি ছোট ডিশ ও রিসিভার সেট প্রদান করবে যা, ডিশের মাধ্যমে সিগন্যাল গ্রহণ করে রিসিভিং সেটের সাহায্যে দর্শকরা টিভিতে বিভিন্ন চ্যানেল দেখতে পারবেন। ওই সেটের মাধ্যমেই শুধু গ্রাহকরা কাক্সিক্ষত চ্যানেলগুলো দেখার সুযোগ পাবেন।
ডিটিএইচের অনেকগুলো সুবিধার একটি হচ্ছে গ্রাহকরা নিজেরাই পছন্দনীয় চ্যানেলগুলো বাছাই করতে পারবেন।
ক্যাবল অপারেটরের বেঁধে দেওয়া চ্যানেল দেখতে হবে না। গ্রাহক হাজার হাজার চ্যানেল থেকে তার পছন্দমতো চ্যানেলগুলো ক্রয় করে মাসিক খরচের পরিমাণও কমিয়ে আনতে পারবেন।

অসাধারন একটি সাইট।আনলিমিটেড ইনকাম like Traffic++Monsoon. 100% রেফারেল কমিশন তো থাকছে

And if not mature will reimburse your money
We have professional Support 24-hour.
  • Earn 100% of your Referrals click.
  • PTC click up 0.0200.
  • PTC click up 0.0100.
  • PTC click up 0.0050.
  • $2.00 minimum withdrawal
  • Unlimited referrals
    • Earn 100% of your Referrals click.
    • PTC click up 0.0200.
    • PTC click up 0.0100.
    • PTC click up 0.0050.
    • $2.00 minimum withdrawal
    • Unlimited referrals